, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে ৫০০ মিটারের আড়াআড়ি বাঁধ অপসারণ চরভদ্রাসনে ইলিশ রক্ষায় ৪ দিনে ৭০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ৩০ কেজি মা ইলিশ জব্দ চরভদ্রাসন পদ্মা নদী থেকে ২৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জাল এবং ৩০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ চরভদ্রাসন পদ্মা নদীতে অভিযান: ২৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ৪ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ সদরপুরে অবৈধ মাছ ধরায় ২২ জেলের কারাদন্ড ও ৫০০০০( পঞ্চাশ হাজার)মিটার জাল জব্দ চরভদ্রাসন পদ্মা নদীতে অভিযান: ১৮ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ১৯ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ মা ইলিশ রক্ষা অভিযান: চরভদ্রাসন পদ্মায় ২০ হাজার মিটার জাল জব্দ চরভদ্রাসন পদ্মা নদীতে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান ১০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ চরভদ্রাসনে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৫ উদযাপন চরভদ্রাসনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

সদরপুরে অবৈধ মাছ ধরায় ২২ জেলের কারাদন্ড ও ৫০০০০( পঞ্চাশ হাজার)মিটার জাল জব্দ

 

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মাছ ধরার অপরাধে ২২ জন জেলেকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে সারারাত অভিযান পরিচালনা করেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রুবানা তানজিন ও উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মেহেদী হাসান।

অভিযানে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ এর ৫(২) ধারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ২২ জন জেলেকে ১৫ (পনেরো) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয় এবং সকলের উপস্থিতিতে জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়।

অভিযানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান, থানার পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে অংশগ্রহণ করেন। নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরার জন্য ব্যবহৃত জাল ও অন্যান্য উপকরণ জব্দ করা হয়।

ইউএনও জাকিয়া সুলতানা বলেন, “ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরা অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে ইলিশের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

জনপ্রিয়

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে ৫০০ মিটারের আড়াআড়ি বাঁধ অপসারণ

সদরপুরে অবৈধ মাছ ধরায় ২২ জেলের কারাদন্ড ও ৫০০০০( পঞ্চাশ হাজার)মিটার জাল জব্দ

প্রকাশের সময় : ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

 

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মাছ ধরার অপরাধে ২২ জন জেলেকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে সারারাত অভিযান পরিচালনা করেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রুবানা তানজিন ও উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মেহেদী হাসান।

অভিযানে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ এর ৫(২) ধারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ২২ জন জেলেকে ১৫ (পনেরো) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয় এবং সকলের উপস্থিতিতে জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়।

অভিযানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান, থানার পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে অংশগ্রহণ করেন। নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরার জন্য ব্যবহৃত জাল ও অন্যান্য উপকরণ জব্দ করা হয়।

ইউএনও জাকিয়া সুলতানা বলেন, “ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরা অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে ইলিশের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”