, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরভদ্রাসনে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, বিপণিবিতানে উপচে পড়া ভিড়

ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। জমজমাট হয়ে উঠছে ফুটপাত থেকে শুরু করে ছোট-বড় মার্কেট ও অভিজাত বিপণিবিতানগুলো। সাধ ও সাধ্যের মধ্যেই পছন্দের নতুন পোশাকের সন্ধানে ক্রেতারা ছুটছেন এক দোকান থেকে আরেক দোকানে।
ঈদকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার বিপণিবিতানগুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা। সাধ ও সাধ্যের মধ্যেই ঈদে পছন্দের নতুন পোশাকের সন্ধানে ক্রেতারা ছুটছেন এক দোকান থেকে আরেক দোকানে। তবে চরভদ্রাসন শপিং মলগুলোর চেয়ে ফুটপাত অথবা রাস্তার ধারের দোকানগুলোতেই ভিড় বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে।
চরভদ্রাসনের সাধারণ সব মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চরভদ্রাসনের উপজেলার সব যাগায় পোশাক বিক্রি হয়, চরভদ্রাসন সদর বাজারে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা নাজনিন বেগম নামে এক ক্রেতা জানান, ‘আমাদের নির্দিষ্ট আয় দিয়েই সংসার চালাতে হয়। এরই মধ্যে আবার ঈদ। তাই বউ বাজারে এসেছি ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই যদি কিছু পাওয়া যায়।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক স্কুলশিক্ষিকা জানান, ইএফটি জটিলতার কারণে সময়মতো বেতন পাচ্ছি না। সামান্য বোনাসেরও কোনো খবর নেই। এর পরও তো সন্তানদের চাহিদা পূরণ করতে হবে। তাই এসব দোকানেই এসেছি আগের জমানো সামান্য টাকা নিয়ে। নিজের না হলেও ছেলেমেয়েদের জন্য কিছু তো কিনতে হবে।
জনপ্রিয়

চরভদ্রাসনে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, বিপণিবিতানে উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। জমজমাট হয়ে উঠছে ফুটপাত থেকে শুরু করে ছোট-বড় মার্কেট ও অভিজাত বিপণিবিতানগুলো। সাধ ও সাধ্যের মধ্যেই পছন্দের নতুন পোশাকের সন্ধানে ক্রেতারা ছুটছেন এক দোকান থেকে আরেক দোকানে।
ঈদকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার বিপণিবিতানগুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা। সাধ ও সাধ্যের মধ্যেই ঈদে পছন্দের নতুন পোশাকের সন্ধানে ক্রেতারা ছুটছেন এক দোকান থেকে আরেক দোকানে। তবে চরভদ্রাসন শপিং মলগুলোর চেয়ে ফুটপাত অথবা রাস্তার ধারের দোকানগুলোতেই ভিড় বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে।
চরভদ্রাসনের সাধারণ সব মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চরভদ্রাসনের উপজেলার সব যাগায় পোশাক বিক্রি হয়, চরভদ্রাসন সদর বাজারে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা নাজনিন বেগম নামে এক ক্রেতা জানান, ‘আমাদের নির্দিষ্ট আয় দিয়েই সংসার চালাতে হয়। এরই মধ্যে আবার ঈদ। তাই বউ বাজারে এসেছি ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই যদি কিছু পাওয়া যায়।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক স্কুলশিক্ষিকা জানান, ইএফটি জটিলতার কারণে সময়মতো বেতন পাচ্ছি না। সামান্য বোনাসেরও কোনো খবর নেই। এর পরও তো সন্তানদের চাহিদা পূরণ করতে হবে। তাই এসব দোকানেই এসেছি আগের জমানো সামান্য টাকা নিয়ে। নিজের না হলেও ছেলেমেয়েদের জন্য কিছু তো কিনতে হবে।